লোড হচ্ছে...
গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর মধ্যে বরিশাল বিভাগে ২১৬ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২৭২ জন, ঢাকা বিভাগে সিটি করপোরেশনের বাইরে ৪০১ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ২০৬ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ২২৩ জন, খুলনা বিভাগে ৩০৬ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৯৮ জন, রাজশাহী বিভাগে ১০৫ জন, রংপুর বিভাগে ৬৬ জন এবং সিলেট বিভাগে নয়জন রয়েছেন।
২ দিন আগে

অধিদফতর আরো জানিয়েছে, ছয়জনের মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে দু’জন। এছাড়া সিটি করপোরেশনের বাইরের এলাকার মধ্যে খুলনা বিভাগে তিনজন ও ময়মনসিংহ বিভাগে একজনের মৃত্যু হয়েছে।
৩ দিন আগে

স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মোট ২৪৯ জনের মৃত্যু হলো। এর মধ্যে সেপ্টেম্বরেই মারা গেছে ১৪৮ জন। এছাড়া আগস্টে ৪৩ জন, জুলাইয়ে ৩৬ জন, জুনে ১৩ জন, মে মাসে একজন এবং জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে দু’জন করে ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়েছে।
৪ দিন আগে

গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৭৮৫ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ১২০ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৩০১ জন, খুলনা বিভাগে ২৬৪ জন, বরিশাল বিভাগে ২১৩ জন, রাজশাহী বিভাগে ১৯৭ জন, রংপুর বিভাগে ৫৬ জন ও সিলেট বিভাগে ছয়জন রয়েছে।
৮ দিন আগে

গত ২৪ ঘণ্টায় সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা এক হাজার ২৫৫ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সন্দেহজনক হামরোগীর সংখ্যা এক লাখ ৯০ হাজার ৫১০ জন।
৮ দিন আগে

দুপুরে ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে গত ২৪ ঘণ্টায় তিনজনের মৃত্যুর কথা জানানো হয়েছিল। তবে পরবর্তী সময়ে সন্ধ্যায় সংশোধিত প্রতিবেদন প্রকাশ করে নতুন করে আরো পাঁচজনের মৃত্যুর তথ্য জানায় অধিদফতর।
১১ দিন আগে

নতুন তিনজনসহ চলতি বছর ডেঙ্গুতে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১৪ জনে। এর মধ্যে শুধু সেপ্টেম্বর মাসের গত ২৫ দিনেই মারা গেছেন সর্বোচ্চ ১১৭ জন। এছাড়া আগস্টে ৪৩ জন, জুলাইয়ে ৩৬ জন, জুনে ও মে মাসে মিলিয়ে ১৪ জন এবং জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে দু’জন করে ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়েছে।
১১ দিন আগে

তাগিদপত্রে বলা হয়, স্বাস্থ্য অধিদফতরের অধীন বিভিন্ন স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে ১১তম গ্রেডের সরাসরি নিয়োগযোগ্য মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টের শূন্য পদে লোকবল নিয়োগের জন্য ছাড়পত্র প্রদানের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় তথ্য চাওয়া হয়েছিল।
১২ দিন আগে


